ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য অত্যন্ত উপকারী। তাই খুব অল্প সময়ের মধ্যে নিশ্চিতভাবে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে। এছাড়াও ডায়াবেটিস রোগীরা স্বাভাবিক অনেক খাবার খেতে পারেন না। ফলে তাদের শরীরে খুব তাড়াতাড়ি পুষ্টিহীনতা দেখা দেয় এবং রোগী দুর্বল হয়ে পরে। ফলে শরীরে অন্যান্য রোগের সৃষ্টি হয়।
মাশরুমে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, মিনারেল, অ্যামাইনো এসিড ও এন্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। এসব উপাদান ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ ইত্যাদি রোগ প্রতিরোধে ও ওজন কমাতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই আপনার প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় রাখুন মাশরুম থাই স্যুপ। যা আপনার প্রোটিন, ভিটামিন ও মিনারেল পরিপূর্ণ করবে।
এত স্যুপ রেখে কেন মাশরুম স্যুপ খাবেন?
কারণ মাশরুমে মানব দেহের জন্য প্রয়োজনীয় নয়টি অ্যামাইনো এসিড এর মধ্যে প্রত্যেকটি বিদ্যমান। প্রোটিনে ভরপুর মাশরুমে কোন প্রকার ক্ষতিকর চর্বি না থাকায় নিয়মিত মাসরুম খেলে জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও কমে যায়। ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, সেলেনিয়াম ও সোডিয়াম এর মতো গুরুত্বপূর্ণ উপাদান থাকায় মাশরুম দেহকে সুরক্ষিত রাখতেও বিশেষ ভূমিকা রাখে। পুষ্টির দিক বিচার করলে মাশরুম সবার সেরা।
আমাদের এই স্যুপে ব্যবহৃত মাশরুম নিজস্ব তত্ত্বাবধানে উৎপাদন করা হয়, যাতে কোন প্রকার ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান নেই।
স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে মাশরুম হারভেস্ট করে নিজেদের তত্ত্বাবধানে ধুলামুক্ত পরিবেশে রোদে শুকানো হয়। রোদে শুকানোর ফলে মাশরুমে ভিটামিন ডি এর পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।
খাদ্যগুণে সমৃদ্ধ আমাদের এই মাশরুম থাই স্যুপ অত্যন্ত স্বাস্থ্যপ্রদ একটি খাবার। স্যুপ খেতে হলে মাশরুম খাবেন। তাই আজই মাশরুম স্যুপে নিজেকে সুইচ করুন।
মাশরুম থাই সুপের উপকারিতা:
১. শক্তির নিশ্চয়তা দেয়।
2. হৃদপিন্ডের সুস্থতায় সাহায্য করে।
3. অকাল বার্ধক্য রোধ করে।
4. দাঁত ও হাড় মজবুত করতে সাহায্য করে।
5. মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
6. ইমিউন সিস্টেমকে ডেভলপ করতে সাহায্য করে।
7. শরীরে প্রদাহ বিরোধী প্রভাব ফেলতে সাহায্য করে।
8. মাশরুম ত্বকের জন্য অত্যন্ত উপকারী।
9. মাশরুম রক্তে চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে।
10. প্রচুর পরিমাণ পটাশিয়াম থাকে যা উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে।
11. মাশরুমে পলিফেনল ও সেলেনিয়াম নামের এন্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা স্ট্রোক ও ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।
12. শরীরে পানি শূন্যতা দূর করে।
13. মাশরুম ফাইবারের একটি চমৎকার উৎস যা ডায়াবেটিস রোগীদের অত্যন্ত উপকারী।
14. ভিটামিন বি ১২ সহ বি ভিটামিনের একটি ভাল উৎস।
15. ভিটামিন ডি এর একটি দুর্দান্ত উৎস।
16. ফসফরাস, তামা, জিংক এবং ম্যাঙ্গানিজ সহ খনিজ উপাদানের একটি ভালো উৎস।
17. শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ নিষ্কাশন করে।
18. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
19. রক্তে কোলেস্টেরল এর মাত্রা কমায়।
20. রক্তস্বল্পতা দূর করেপ্রস্তুত প্রণালী
একজনের জন্য এক কাপ (২৫০ মিলি) ফুটন্ত গরম পানিতে ২ চা চামচ (১০ গ্রাম) স্যুপ পাউডার মিশিয়ে ক্রমাগত নাড়তে থাকুন। ২-৩ মিনিট পরে কুসুম গরম পরিবেশন করুন।
এটিকে আরো মজাদার ও স্বাস্থ্যকর করতে মিশিয়ে নিন ডিম, মাংস ও চিংড়ি (মাংস ও চিংড়ি আদা রসুন দিয়ে ভেজে নিন)। এক্ষেত্রে অল্প আচে রাধুন। ৫-৬ মিনিট পরে নামিয়ে কুসুম গরম পরিবেশন করুন। পরিবেশনের সময় সামান্য লেবুর রস ও ধনেপাতা স্বাদে আনবে নতুনত্বসংরক্ষণ প্রণালী
বয়ানের মুখ টাইট করে আটকিয়ে তা শুষ্ক স্থানে রাখলে ৮ থেকে ১০ মাস পর্যন্ত ভালো থাকে। এতে গুণগত মানের কোন পরিবর্তন হয় না। ব্যবহারের পর ঢাকনা ভালো করে লাগিয়ে দিন, যেন বাতাস প্রবেশ করতে না পারে। সব সময় শুকনো চামচ ব্যবহার করুন। ঠান্ডা, শুকনো এবং স্বাস্থ্যকর স্থানে সংরক্ষণ করুন।
।।