মানবদেহে এমন কোন জায়গা নেই যেখানে টক্সিন জমতে পারে না। সামান্য সর্দি জ্বর থেকে শুরু করে স্ট্রোক, প্যারালাইসিস, ব্রংকাইটিস ছাড়াও বেশিরভাগ শারীরিক রোগের জন্য ‘টক্সিন’ দায়ী।
আর এজন্য প্রয়োজন ‘ডিটক্সিফিকেশন’। আপনার শরীরে জমে থাকা টক্সিন বা দূষিত পদার্থ বের করাই সর্বপ্রথম ধাপ। এতে শরীর ভিতর থেকে সুস্থ থাকে। মন ভালো থাকে। হরমোনের মধ্যকার ভারসাম্য বজায় রাখে। ঘুমের উন্নতি ঘটে, হজম ক্ষমতা বাড়ে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। কিডনি, লিভার ঠিকভাবে কাজ করে যদি আপনার শরীর টক্সিন মুক্ত থাকে। আর তাই কোন ঔষধ নয়, প্রাকৃতিক উপায়ে শরীর থেকে দূষিত পদার্থ বের করুন।
গ্যানোডার্মা কফির অবিশ্বাস্য উপকারিতা
১। শরীরের টক্সিন মুক্ত করে।
২। লিভারকে ডিটক্সিফাই করে।
৩। শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণ করে।
৪। এনার্জি লেভেল বৃদ্ধি করে।
৫। গ্যানোডার্মা কফি ভালো ঘুম হতে সাহায্য করে।
৬। শরীরের স্ট্যামিনা বৃদ্ধি করে।
৭। দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
৮। হজম শক্তি বৃদ্ধি করে।
৯। শারীরিক ও মানসিক প্রশান্তি দেয়।
১০। দেহের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গসমূহ যেমনঃ ব্রেইন, হার্ট, কিডনি, লিভার, ফুসফুস, অগ্নাশয়ের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
আমাদের এই কফির পুষ্টি তথ্য বাংলাদেশ সাইন্সল্যাব কর্তৃক পরীক্ষিত অর্থাৎ বি সি এস আই আর সার্টিফিকেট অর্জিত। এই কফিতে ব্যবহৃত গ্যানোডার্মা মাশরুম এর গুণগত মান পরীক্ষায় ও সার্বিক সহযোগিতায় রয়েছে জাতীয় মাশরুম উন্নয়ন ইনস্টিটিউট।
গ্যানোডার্মা কফি মিক্স কিভাবে খেতে হবে?
উত্তরঃ সাধারণ কফির ন্যায় এক কাপ (১২০ মিলি) গরম পানিতে এক চা চামচ (5 গ্রাম) গ্যানোডারমা কফি মিক্স নিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে তারপর পান করুন। প্রতিদিন দুই কাপ সকালে এবং রাতে পান করুন।